সময় গিয়েছে পেরিয়ে ...
বইমেলা বইমেলা গন্ধে জানুয়ারিটা পেরিয়ে যাচ্ছিল আর একটু হলেই । শীত বিষয়ক সংখ্যা। যদি শীত চলে যাওয়ায় পর প্রকাশ পেত , লজ্জার আর শেষ থাকত না ! এমনিতেই এবার শীতটা বিশেষ জমলো না । আসলে চরিত্র সব পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে । দ্রুত । শুধু শীত নয় ... শীত সংক্রান্ত সবকিছুই । বাঙালীর লেপের তলায় “শীতকাল কবে আসবে সুপর্ণা” থেকে শীতের সব ক্রিম ... । গ্লিসারিন সাবান টু বডি অয়েল ( “চোখে জল মুখে হাসি, প্রান ভরে শিতে মাখো বঙ্গবাসী” জমানা বাজেয়াপ্ত হয়েছে অনেক আগেই ) ।। সবজী – আর ফলমূলের কথা বলার প্রয়োজন নেই । আর সবার কথা জানি না । ফিরতে ইচ্ছে করে সেইসব দিনগুলোতে । সন্দীপদা’ তো লিখেই বসলেন “বিষ্ময়ে দেখেছি সর্ষের হলুদ মাঠে ছড়িয়ে পড়ছে নবজাতক শীতকাল। ওই শীতকাল আমার নয়, স্বপ্ন আমার নয়। প্রেমাস্পদের মতো অজ্ঞাতেই আপন হয়ে উঠছে এই শীতকাল। দূর্বলচিত্তের মানুষেরা অতি সহজেই মেনে নিতে পারে। মেরুদণ্ডহীন সাপের ফণাকে অনেকেই সাপুড়ের ইশারায় নাচ ভেবে আনন্দ পায়, নয়তো শীতকালকে মেনে নেবার কোনো অভিপ্রায় আমার ছিল না” ।
সময় পেরিয়ে যায়নি – সময় গিয়েছে এগিয়ে । স্পন্দন লিখছে – “শীত কিন্তু কারও বাড়া ভাতে ছাই দেয়নি। সে খানিক স্লথ গতির একাকী অভিমানী বৃদ্ধের মতই পড়ে আসা বিকেলের আলোয় পার্কের বেঞ্চিতে বসে থাকে প্রতিবছর। তারপর সময় ফুরিয়ে এলে সব গুছিয়ে নিয়ে চলে যায়। সে তো দেখেছে, কিভাবে তারই পাশের বেঞ্চিতে একসময় এসে বসত হেমন্ত। ক্রমে ক্রমে সেও উঠে গেছে অনেকদিন হল। এখন আর আসেনা। কিম্বা আসলেও বোঝা যায় না তেমন। একটা ঠান্ডা চাহনির ওয়ার্নিং তাই সব সময়েই রয়েছে শীতের দিকে” ।
সময় কিছুটা নষ্ট করে দিলাম তো ! চলুন এগিয়ে চলি ।
- বার্ণিক ক্যাণভাসের শিল্পীরা
বইমেলা বইমেলা গন্ধে জানুয়ারিটা পেরিয়ে যাচ্ছিল আর একটু হলেই । শীত বিষয়ক সংখ্যা। যদি শীত চলে যাওয়ায় পর প্রকাশ পেত , লজ্জার আর শেষ থাকত না ! এমনিতেই এবার শীতটা বিশেষ জমলো না । আসলে চরিত্র সব পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে । দ্রুত । শুধু শীত নয় ... শীত সংক্রান্ত সবকিছুই । বাঙালীর লেপের তলায় “শীতকাল কবে আসবে সুপর্ণা” থেকে শীতের সব ক্রিম ... । গ্লিসারিন সাবান টু বডি অয়েল ( “চোখে জল মুখে হাসি, প্রান ভরে শিতে মাখো বঙ্গবাসী” জমানা বাজেয়াপ্ত হয়েছে অনেক আগেই ) ।। সবজী – আর ফলমূলের কথা বলার প্রয়োজন নেই । আর সবার কথা জানি না । ফিরতে ইচ্ছে করে সেইসব দিনগুলোতে । সন্দীপদা’ তো লিখেই বসলেন “বিষ্ময়ে দেখেছি সর্ষের হলুদ মাঠে ছড়িয়ে পড়ছে নবজাতক শীতকাল। ওই শীতকাল আমার নয়, স্বপ্ন আমার নয়। প্রেমাস্পদের মতো অজ্ঞাতেই আপন হয়ে উঠছে এই শীতকাল। দূর্বলচিত্তের মানুষেরা অতি সহজেই মেনে নিতে পারে। মেরুদণ্ডহীন সাপের ফণাকে অনেকেই সাপুড়ের ইশারায় নাচ ভেবে আনন্দ পায়, নয়তো শীতকালকে মেনে নেবার কোনো অভিপ্রায় আমার ছিল না” ।
সময় পেরিয়ে যায়নি – সময় গিয়েছে এগিয়ে । স্পন্দন লিখছে – “শীত কিন্তু কারও বাড়া ভাতে ছাই দেয়নি। সে খানিক স্লথ গতির একাকী অভিমানী বৃদ্ধের মতই পড়ে আসা বিকেলের আলোয় পার্কের বেঞ্চিতে বসে থাকে প্রতিবছর। তারপর সময় ফুরিয়ে এলে সব গুছিয়ে নিয়ে চলে যায়। সে তো দেখেছে, কিভাবে তারই পাশের বেঞ্চিতে একসময় এসে বসত হেমন্ত। ক্রমে ক্রমে সেও উঠে গেছে অনেকদিন হল। এখন আর আসেনা। কিম্বা আসলেও বোঝা যায় না তেমন। একটা ঠান্ডা চাহনির ওয়ার্নিং তাই সব সময়েই রয়েছে শীতের দিকে” ।
সময় কিছুটা নষ্ট করে দিলাম তো ! চলুন এগিয়ে চলি ।
- বার্ণিক ক্যাণভাসের শিল্পীরা
Comments
Post a Comment