বার্ণিক এর কবিতা – অপেক্ষা সম্পর্ক মন্ডল .................................................................................................................................................. এইভাবে আরও একটা দিন কেটে যাবে এইভাবে আরও একটা রাত কুচিকুচি করে ভাসিয়ে দেবো জলে এই গ্রাম এই মফস্বলের ভেতর আমি শুধুই পাক খেয়ে চলেছি দিনরাত এই তেলেভাজারর দোকান পুরানো চায়ের দোকানে আমি ঘুরছি পাক খাওয়া মাছির মতো আর ধুলোময়লার ভেতর উড়তে উড়তে অপেক্ষা শুধুই কোনো অচেনা ভোরে খবরের কাগজে আমার কঙ্কালসার ধূসর ছবির
Popular posts from this blog
প্রচ্ছদ নিবন্ধ -২ ........................................................................................................................... শীতলস্মৃতি অনিন্দিতা মণ্ডল যারা দক্ষিণ বঙ্গের এই জনাকীর্ণ শহরের অলিতে গলিতে প্রথম নিঃশ্বাস নিয়েছি , এবং হয়ত শেষ নিঃশ্বাস ও নেবো , তাদের কাছে শীত একটা উৎসব । না , শহরে প্রথম তুষারপাত জাতীয় ঘটনা ঘটেনা বটে , তবে যেটুকু শীত আসে তা আমরা উদযাপন করি ষোল আনা । কতই বা নামে পারদ ? দশের নীচে তো নয়ই , অধুনা তাও হয়না । বসন্তের আমেজ মাখানো একটা শীত শীত ভাব । কি কষ্ট কি কষ্ট ! তোরঙ্গ দেরাজ থেকে রঙবেরঙের শীতপোশাক , মাফলার টুপি বের করা হয়না । দশবছর আগে মাসতুতো দিদির শ্বাশুড়ী যে দারুণ সাদা ধবধবে কার্ডিগানটা বুনে দিয়েছিলেন, এবছর তার সঙ্গে ম্যাচ করে একটা শিফন কিনেছিলাম । সঙ্গে মুক্তোর গয়না । শীতের বিয়েবাড়ির আগাম ফ্যাশান । সে গুড়ে বালি । এ তো রীতিমত গরম ! কার্ডিগান পরে কে ? তবুও অভ্যাসের ফলে ছাতে যাই । দিনের প্রথম নরম রোদ্দুর বের হলেই বাক্স টেনে ছাতে এনে ফেলি । ডালা খুলে দিই । ভেতর থেকে উঁকি দেয় আমার আদুরে শীতবস্ত্র । অবিশ্যি বাই ল আমি এখন এক মফস্বলের...
বার্ণিক এর গল্প – ....................................................................................................................................... গন্তব্য প্রাণকৃষ্ণ ঘোষ চার নম্বর প্ল্যাটফর্মে নেমেই হনহন করে হাঁটতে শুরু করেছে সুনীল । সাতটা বেজে গেছে । সবাই এসেও গেছে । ওর জন্যই গাড়ি ছাড়া যাচ্ছেনা । এর মধ্যেই সুনীলকে ফোন করে চরম খিস্তি মেরেছে সৌমিক । তাতে অবশ্য সুনীল কিছু মনে করেনি । উল্টে ব্যবহার করেছে আরও জোরালো খিস্তি । সেই কলেজ লাইফ থেকেই সৌমিককে দেখে আসছে সুনীল । জানে পাল্টা খিস্তি না দিয়ে সৌমিককে থামানো চাপ আছে । কোথাও না দাঁড়িয়ে সোজা স্টেশনের যে জায়গায় সরকারী গাড়িগুলো দাঁড়িয়ে থাকে সেখানে এসে পৌঁছয় সুনীল । ---হ্যাঁ এটাই । জাইলো গাড়ি বিয়ারিং নাম্বার ০৮১২ । এমনটাই কথা হয়েছিল কাল রাতে । ওদের হোয়্যাটস অ্যাপ এর ‘খেলো’ গ্রুপে । আনিরুল সেরকমই লিখেছিল । আনিরুল গাড়ি অ্যারেঞ্জ করার দায়িত্বে আছে । ‘খেলো’ দের ভাষায় অবশ্য ও সি -গাড়ি । সুনীল গাড়ির কাছে পৌঁছতেই দরজাটা খুলে দিয়ে ধারের জায়গাটা সুনীলের জন্য রেখে মাঝে সরে যায় জীবন । জীবন এদের মধ্যে সবচাইতে আঁতেল । জনসংযোগের ব্যাপারটা...
Comments
Post a Comment